• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৯ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

বিদায়ী ম্যাচটা স্মরণীয় হয়ে থাকল মামুনুলের

সিসি নিউজ ডেস্ক।। বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় রহমতগঞ্জ মুসলিম ফ্রেন্ডস সোসাইটি-ফর্টিস এফসি ম্যাচটা হয়ে থাকল মামুনুলময়। কারণ, আজই  (১ মে) যে মামুনুল ইসলাম তাঁর পেশাদার ক্যারিয়ারের শেষ ফুটবল ম্যাচ খেলতে নেমেছেন। বিদায়বেলায় তাঁকে সম্মাননা জানায় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)।

ফর্টিস এফসি অধিনায়ক হিসেবে আজ ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ খেলতে নামেন মামুনুল। বাংলাদেশ ফুটবল লিগের (বিএফএল) রহমতগঞ্জ-ফর্টিস ম্যাচ শুরুর আগে তাঁর হাতে ফুলের তোড়া ও ক্রেস্ট তুলে দেন বাফুফের কর্মকর্তারা। সতীর্থরা গার্ড অব অনার দেন তাঁকে। নিজেদের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে মামুনুলকে বিদায়ী সম্মাননা দেওয়ার ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে বাফুফে লিখেছে, ‘ সাবেক বাংলাদেশ অধিনায়ক মামুনুল ইসলাম আজ ফর্টিসের হয়ে পেশাদার ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ খেলছেন। এর মাধ্যমে তাঁর গৌরবময় ক্যারিয়ারের সমাপ্তি ঘটছে। তাঁর অবসর ম্যাচে সম্মান জানাতে উপস্থিত ছিলেন বাফুফের পেশাদার লিগ ম্যানেজমেন্ট কমিটি ইমরুল হাসান। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাফুফের কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য ইকবাল হোসেন, জাকির হোসেন চৌধুরী ও ইমতিয়াজ হামিদ উপস্থিত ছিলেন।’

আগের দিনই পেশাদার ফুটবল ক্যারিয়ার থেকে অবসরের ঘোষণা দিতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলেন মামুনুল। তাঁর বিদায়কে রাঙাতে ফর্টিস চেষ্টার কোনো ত্রুটি রাখেনি। ম্যাচ শুরুর পর প্রথম পাসও দেওয়া হয় মামুনুলকে। ২৫ মিনিটে যখন মাঠ ছেড়ে যাচ্ছিলেন, তখনো পেলেন অভ্যর্থনা। টানেলেও তাঁকে আলিঙ্গনে বেঁধেছেন। শেষটাও হয়েছে মনে রাখার মতো। রহমতগঞ্জ মুসলিম ফ্রেন্ডস সোসাইটিকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে ফর্টিস এফসি। ম্যাচ শেষেও তাঁর পরিবারের সদস্যরা ও বাফুফে কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় দলের হয়ে ১৫ বছর এবং টানা ৬ বছর আর্মব্যান্ড হাতে নেতৃত্ব দেওয়া মামুনুল বিদায়বেলায় ছিলেন আবেগপ্রবণ। ডেড বল স্পেশালিস্ট মিডফিল্ডার হিসেবে খ্যাতি রয়েছে তাঁর। তবে এত প্রাপ্তির ভিড়েও দুটি কাঁটা তাঁর শরীরে আজীবন বিঁধবে। নিজের আক্ষেপ প্রকাশ করতে গিয়ে গতকাল ফর্টিস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে মামুনুল বলেছিলেন, ‘সাফ চ্যাম্পিয়ন হতে না পারা এবং আতলেতিকো দি কলকাতায় খেলার সুযোগ না পাওয়ার আক্ষেপ আমার নিশ্বাস বন্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত থেকে যাবে।’

বাংলাদেশ জাতীয় দলের জার্সিতে ৬৭ ম্যাচে ৩ গোল করেছেন মামুনুল। দেশের প্রায় সব শীর্ষ ক্লাবে খেলার অভিজ্ঞতা আছে তাঁর। বিদায়টা জাতীয় দলের হয়নি। তবে মাঠ থেকে যে বিদায়টা নিতে পেরেছেন, সেটাও বা কজনের কপালে জোটে! সতীর্থদের স্বাক্ষর সংবলিত ৮ নম্বর জার্সি তুলে দেওয়া হয় তাঁর হাতে। এমনকি তাঁর এলাকা চট্টগ্রাম থেকেও ভক্ত-সমর্থকেরা কিংস অ্যারেনাতে দেখেছেন তারকা ফুটবলারের বিদায়ী ম্যাচ।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ